Friday , August 12 2022

৮টি জটিল রোগের মহৌষধ কাঁচা পেঁপে!

৮টি জটিল রোগের মহৌষধ কাঁচা পেঁপে- বারোমাসি একটি ফল হচ্ছে পেঁপে। পেঁপে খুবই সহজলভ্য একটি ফল। পেঁপে এমন একটি ফল যা পুষ্টিগুণে ভরপুর। যা কাঁচা কিংবা পাকা দুইভাবেই খাওয়া যায়।

সুমিষ্ট পাকা পেঁপে খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে কাঁচা পেঁপের গুণ সম্পর্কে জানেন কী? রান্না করে কিংবা সালাদ হিসেবেও কাঁচা পেঁপে বেশ মজা করেই খেয়ে থাকেন সবাই। ১০০ গ্রাম কাঁচা পেঁপেতে শর্করা ৭.২ গ্রাম, ক্যালোরি থাকে ৩২ কিলো, ভিটামিন সি ৫৭ মিলিগ্রাম,

সোডিয়াম ৬.০ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম, খনিজ ০.৫ মিলিগ্রাম এবং ফ্যাট বা চর্বি থাকে ০.১ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়। এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। নানা রোগের মহৌষুধ হিসেবে কাজ করে এই ফল।

আসুন জেনে নেয়া যাক কাঁচা পেঁপের গুণাগুণ সম্পর্কে-
1. ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁচা পেঁপে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে যথেষ্ট আঁশ বা ফাইবার রয়েছে। পেঁপেতে যেমন কম ক্যালোরি আছে, তেমন মেদ কমানোর জন্য বিশেষ কিছু উপাদান রয়েছে। কাঁচা পেঁপে দেহের সঠিক রক্ত সরবরাহে কাজ করে। দেহে জমা থাকা সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে যা হৃৎপিণ্ডের রোগের জন্য দায়ী। নিয়মিত পেঁপে খেলে উচ্চ রক্ত চাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

2. পেঁপেতে থাকা আঁশ ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি বা অম্লতা, পাইলস ও ডায়রিয়া দূর করতে পারে। মানুষের শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে পেঁপে দারুণ কার্যকর। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা কাঁচা পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। খেতে পারেন কাঁচা পেঁপের জুসও। কাঁচা পেঁপে বা এর জুস রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। আর এটি শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায়।

3. কাঁচা পেঁপেতে নানা রকম প্রাকৃতিক এনজাইম থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি এনজাইম হচ্ছে সাইমোপ্যাপিন ও প্যাপিন। এই দুটি এনজাইম প্রোটিন চর্বি ও কার্বোহাইড্রেট ভাঙতে সাহায্য করে। নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খেলে ত্বকের সমস্যা দূর হয়। বিশেষ করে ব্রণ এবং ত্বকের ওপর নানা দাগ দূর করতে পারে কাঁচা পেঁপে। মৃত কোষ সমস্যা দূর করতে পারে পেঁপে।

4. যাদের পেটে গোলমাল দেখা দেয়, তারা সালাদ হিসেবে কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। প্রতিদিন দুপুর ও রাতে খাবারের পর এক টুকরো কাঁচা পেঁপে ভালো করে চিবিয়ে খান। তারপর এক গ্লাস পানি খেলে সকালে পেট পরিষ্কার হয়। এতে গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমের সমস্যাও দূর হয়।

Check Also

এই চার কারণে অল্পবয়সিরা হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছে !

কয়েক দশক আগে বয়স ৪০-৪৫ পার হওয়ার পর হার্ট অ্যাটাক হলেও এখন ৩০-এর কাছাকাছি মানুষও ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.