Friday , July 23 2021

১৪ দিন বয়সী নবজাত মেয়েকে নিয়েই কাজে ফিরলেন মহিলা IAS অফিসার, তার নিষ্ঠাকে কুর্নিশ নেটিজেনদের

নিজের কর্তব্যের প্রতি অবিচল থেকে নজির গড়লেন গাজিয়াবাদের এক আইএএস অফিসার। দিন ১৫ আগে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন এই IAS অফিসার। কিন্তু এই শিশুকে কোলে নিয়েই ফের কাজে যোগ দিলেন তিনি। তার কাজের প্রতি এই নিষ্ঠা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনদের একাংশ। আসুন এই IAS অফিসারের ব্যাপারে আরো জানা যাক।

গত জুলাই মাসে ক’রো’না ভাই’রাস পরিস্থিতি চলাকালীন সময়ে গাজিয়াবাদ জেলার নোডাল অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন আইএএস অফিসার সৌম্যা পান্ডে। তিনি নিযুক্ত হয়েছিলেন মদিনগর সাব ডিভিশনের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে।

দিন ১৫ আগে তিনি জন্ম দেন এক কন্যা সন্তানের। কিন্তু, তাতে কি? কাজ তো সবার আগে। তাই, এই দুধের শিশুকে নিয়েই ফের কাজে ফিরলেন সৌম্যা। তার এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে নেটিজেনরা।

সংবাদমাধ্যমের একটি সাক্ষাৎকারে সৌম্যা বলেন,” আমি একজন আইএএস অফিসার এবং আমি আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্যে সচেতন। ক’রোনা কারণে আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে।

বর্তমানে, জরুরী ভিত্তিতে অনেক কাজ সামলাতে হচ্ছে। ভগবান আমাদের অর্থাৎ মেয়েদের সন্তান জন্ম দেওয়ার এবং তাকে লালন পালনের শক্তি প্রদান করেছেন। গ্রামের সমস্ত মহিলা সন্তান জন্ম দেওয়ার পরেও সমস্ত কাজ করে থাকেন। তাই, আমিও ঈশ্বরের আশীর্বাদে মাত্র ৩ সপ্তাহ বয়সের মেয়েকে নিয়ে সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে পারছি। ”

তিনি আরো জানান, ” আমার পরিবার আমার পাশে সব সময় রয়েছে এবং তাদের সমর্থন ছাড়া আমি এটা করতে পারতাম না। সম্পূর্ণ গাজিয়াবাদ জেলা প্রশাসন আমার পাশে রয়েছে।

গ’র্ভব’তী অবস্থায় এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে তারা সকলেই আমাকে সমর্থন করেছেন। জেলাশাসক, প্রশাসনিক কর্মীরা আমাকে সাহায্যের জন্য সব সময় রয়েছেন। ”

পাশাপাশি সমস্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলার উদ্দেশ্যে পান্ডের পরামর্শ, কোভিড পরিস্থিতিতে বাইরে কাজ করার সময় পর্যাপ্ত সর্তকতা গ্রহণ করুন। সাবধান থাকুন। কারণ আপনার সঙ্গে আপনার সন্তানের ভবিষ্যত জড়িয়ে রয়েছে।

Check Also

ক’রোনা হলে মানুষের শরীরে কি ক’ষ্ট হয়, তা পাঁচজন ক’রোনা আ’ক্রা’ন্ত রো’গীর মুখ থেকে শুনুন

বিশ্বজুড়ে করো’নায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে এর মধ্যে অনেকে সেরেও উঠছেন। করো’না থেকে সেরে ওঠা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *