Friday , September 17 2021

সাবধান! মাইক্রোওভেনে ভুলেও গরম করবেন না এই ৫ খাবার,নষ্ট হয়ে যাবে খাদ্যগুন !

খাবার গরম করার জন্য আমরা কমবেশি সবাই মাইক্রো ওয়েভ ওভেনের ওপর নির্ভরশীল। কারণ মাইক্রো ওয়েব ওভেনে খুব দ্রুত খাবার গরম করা সম্ভব। এতে সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচে। সাধারণ ওয়েব ওভেনে বাইরের দিকে খাবার গরম হয়। কিন্তু মাইক্রো ওয়েভ ওভেনের সুবিধা হচ্ছে, এটি খাবারের ভেতরও গরম করে। খুব তাড়াতাড়ি খাবার গরম করতে সবসময়ই আমাদের ভরসা মাইক্রোওয়েভে।

বাইরে থেকে খাবার কিনে আনলে বা ফ্রিজের কোনও খাবার গরম করতে চাইলে সোজা চালান করে দেওয়া হয় মাইক্রো ওয়েভ ওভেনে। বর্তমানের কর্মব্যস্ত জীবনে সবারই সময়ের বড়ই অভাব। সবাই ছুটতেই ব্যস্ত। সেই সঙ্গে কমেছে ধৈর্য্য। বিশেষত কর্মজীবীদের জীবন এই মাইক্রোওয়েভ ওভেন ছাড়া অচল। সবাই ভাবেন যে কোনও খাবারই সহজে মাইক্রো ওয়েভ ওভেনে গরম করা যায়। কিন্তু এই নিয়ম সবক্ষেত্রে খাটে না। এমন কিছু খাবার আছে, যা মাইক্রো ওয়েভ ওভেনে গরম করলে তার খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তেমনই খাবার খারাপও হয়ে যেতে পারে। দেখে নিন কোন কোন খাবার মাইক্রো ওয়েভ ওভেনে গরম করবেন না।

পিৎজা

একই সমস্যা পিৎজার ক্ষেত্রেও। দ্বিতীয়বার গরম করে খেলে সেই স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। পিৎজার ব্রেড শক্ত হয়ে যায়। এছাড়াও চিজ, অলিভ ইত্যাদির স্বাদ নষ্ট হয়। দুধের তৈরি যে কোনও প্রোডাক্টই দ্বিতীয়বার গরম করা উচিত নয়।

প্যাটিস বা পেস্ট্রি

প্যাটিস দ্বিতীয়বার গরম করে খেলে তার স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। একই সমস্যা হয় পেস্ট্রির ক্ষেত্রেও। কারণ যে খাবারে বাটার রয়েছে তা কখনই দ্বিতীয়বার খাওয়া উচিত নয়।

বার্গার

পাঁউরুটি যখন তৈরি করা হয় তখন তা এমনই খুব ভালো করে সেঁকা হয়। এরপর সেই রুটি দিয়ে বার্গার বানানো হয়। কিন্তু একবার তৈরি হওয়ার পর দোকান থেকে বাড়িতে এনে তা যদি আবার গরম করা হয় তাহলে তা শক্ত হয়ে যায়। এছাড়াও দোকান থেকে পরিবেশন করার সময় তা গরম করা হয়। এই বারবার গরম করার ফলে বার্গারের মধ্যে থাকা মাখন, মাংস, লেটুস ইত্যাদির খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

ডিমের তৈরি কিছু

ডিম মেশানো নেই, কিন্তু ভেতরে ডিম দেওয়া এরকম কোনও খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করবেন না। কেক চলতে পারে। কিন্তু ডেভিল, এগরোল কিংবা ডিম কষা মাইক্রোওভেনে দেবেন না।

দুধের কোনও খাবার

দুধ ভুলেও মাইক্রোওভেনে দেবেন না। এছাড়াও পায়েস, কোনও মালাই এর পদ, চিজ-মাখন দেওয়া কিছু কিংবা মিল্ক শেক কখনই মাইক্রোওভেনে দেবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। সব ফেটে ভেতরে ছড়িয়ে যাবে। যেখান থেকে শট সার্কিট হতে পারে। সেই সঙ্গে খাদ্যগুণ কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এমনকী খাবার নষ্টও হয়ে যেতে পারে।

মাছ

মাছ যেদিন রান্না করবেন সেদিনই চেষ্টা করবেন খেয়ে ফেলার। না খেতে পারলে তা গ্যাসে গরম করুন, কিন্তু মাইক্রোওভেনে নয়। কারণ এতে মাছের খাদ্যগুণ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। তাই টাটকা মাছ রান্না করে খেয়ে ফেলুন। কিন্তু ইলিশ ভাপা মাইক্রোওয়েভে বানাতে কোনও সমস্যা নেই। তবে দুপুরে খাওয়া হলে রাতে আবার গরম করতে মাইক্রোওভেনে দেবেন না।

Check Also

আপনি কি সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নামা করেন? জেনেনিন এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো না খারাপ

প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু যারা হাঁটতে চান ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *