Sunday , July 5 2020

রুচি ফিরিয়ে দেয় করমচা

টক স্বাদের ফল করমচা। কাঁটাযুক্ত গুল্মজাতীয় এ উদ্ভিদটি প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে। তবে এটা চাষও করা সম্ভব। ঝোঁপের মতো বলে গ্রামাঞ্চলে এই গাছ বাড়ির সীমানায় বেড়া হিসেবে লাগানো হয়। কারো কারো বাড়ির ছাদ কিংবা বারান্দায়ও দেখা মেলে করমচার। করমচা হলো টক স্বাদের ছোট আকৃতির একটি ফল। করমচা পুষ্টিগুণে যেমন সমৃদ্ধ তেমনি আছে রো’গ প্রতি’রোধ ক্ষমতা। প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় আছে শর্করা-১৪ গ্রাম, প্রোটিন-০.৫ গ্রাম, ভিটামিন এ-৪০ আইইউ,

ভিটা’মিন সি-৩৮ মিলিগ্রাম, রি’বোফ্লেভিন-০.১ মিলিগ্রাম, নিয়া’সিন-০.২ মিলিগ্রাম, আয়’রন-১.৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনে’সিয়াম-১৬ মিলিগ্রাম, পটা’শিয়াম-২৬০ মিলিগ্রাম, কপার-০.২ মিলিগ্রাম। যাদের রক্তে পটা’শিয়ামের মাত্রা বেশি, তাদের করমচা না খাওয়াই ভালো। এই মৌসুমে তাজা করমচা খান নিয়মিত, অনেক রো’গ এড়ানো যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বাজারে প্যাকেটে করে চেরির নামে কৃত্রিম রং দেয়া করমচা বিক্রি হয়।

এটি স্বা’স্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। কেনার সময় তাই সতর্ক থাকতে হবে। করমচায় চর্বি এবং ক্ষতি’কর কোলেস্টরেল থাকে না। ভিটামিন সি-তে ভরপুর করমচা মুখে রুচি ফিরিয়ে দেয়। করমচা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে হৎপি’ণ্ডের সুরক্ষা দেয়। শরীরের অভ্যন্তরীণ র’ক্তক্ষরণ কমাতেও সাহায্য করে। যকৃত ও কি’ডনির রোগ প্রতিরো’ধে আছে বিশেষ ভ‚মিকা। মৌসুমি স’র্দি-জ্ব’র, কাশিতে করমচা খান বেশি করে। করমচা কখনো কৃ’মিনাশক হিসেবে ও’ষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া পেটের নানা অসুখের দাওয়াই করমচা। শরীরের ক্লান্তি দূর করে করমচা শরীরকে চাঙা রাখে। বাতরো’গ কিংবা ব্যথা’জনিত জ্ব’র নিরাময়ে করমচা খুব উপকারী। করমচাতে থাকা ভিটা’মিন ‘এ’ চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি ত্বক ভালো রাখে ও রো’গ প্রতি’রোধে কার্যকর। এতে থাকা ভিটামিন ‘সি’ দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা দেয়।

Check Also

ঢেঁড়স এর উপকারের কথা জানলে অবাক হয়ে যাবেন

ঢেঁড়সকে আমারা সধারণত মনে করি গুরুত্ত্বহীন৷ কিন্তু এই ঢেঁড়স আমাদের শরীরে অজান্তেই অনেক উপকার করে৷ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *