Saturday , September 18 2021

প’তিতাপল্লী নয় অ’নলাইনে বুকিং করলেই বাড়িতে আসবে না’রী!

প’তিতাপল্লী নয়, এবার অ-নলাইনে বুকিং কর-লেই বাড়িতে -আসবে না-রী!ব্যাংক থেকে পো-স্ট অফি-স, অন-লাইন ছা-ড়া- দুনিয়া অচল। বাজারও হয়ে যায় বাড়িতে বসে। তাহলে শা’রীরিক সু’খ কেন পাওয়া যাব’ে না ঘরে বসে।সে দিন -য-খন প’তিতাপল্লীতে মুখ লুকিয়ে গি-য়ে শা’রীরিক তৃ’প্তি মিটি-য়ে নেওয়া। অত সময় -নেই।একাকি জীবন,

বাইরে যেতেও ভালো লাগে না। স’ঙ্গী বেছে নিন ফেসবুকের বিশেষ বন্ধু পাতানোর পেজ থেকে। টাকা দিন অনলাইনে।কাজ শুরু। সহজ ব্যপার।ইন্টারনেটে এসকর্ট সার্ভিস কিংবা ভিডিও চ্যাটের অতিসহজ প’দ্ধতিই এশিয়ার সবথেকে বড় যৌ’’নপল্লীর ব্যবসায় বা’ধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। -দিনে দিনে আয় ক-মে যাচ্ছে।আগের থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শ-তাংশ আয় কমে গি-য়েছে ক-

লকা-তার সোনাগাছির যৌ’’ন-র্মী-দের। এ-ম-নটাই জা-নিয়েছে সো-নাগাছির মহি-লারা।সোনাগাছি কলকাতায় অবস্থিত এশিয়ার বৃ’হত্তম নি’ষি’’দ্ধ পল্লি। এই পতি’তালয়ের কয়েকশত বহুতল ভবনে প্রায় ১০০,০০০ যৌ’’নকর্মী বসবাস করেন।ভূত আতঙ্কে নার্সিং কলেজের ৪ ছাত্রী হাসপাতালে! বরিশাল নগরের রূপাতলীর বেস’রকারি জমজম নার্সিং কলেজের

চার ছাত্রী ভূত আ’তঙ্কে অ’চেতন ও অ’সুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীরা হলেন- জামিলা আক্তার (১৮), তামান্না (১৮), সেতু (২১) ও বৈশাখী (১৮)।

অ’সুস্থদের সহপাঠীরা জানান, কলেজের একাডেমিক ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠতলায় একটি মাদ্রাসা ছিল। মাদ্রাসাটি সরিয়ে সেখানে ম্যাটস ও নার্সিং অনুষদের ছাত্রীদের জন্য আবাসনের (হোস্টেল) ব্যবস্থা করা হয়। পরীক্ষা ও প্রাকটিক্যালের জন্য সেখানে বর্তমানে শুধু নার্সিং অনুষদের ৩৫ জন ও ম্যাটস-এর আরো ১৫-২০ জন আছেন। ক’রোনার শুরু থেকে বন্ধ থাকলেও গত জানুয়ারি মাসের শুরুতে ছাত্রীরা হোস্টেলে আসেন।

আবাসিকের স্টাফ খালেদা জানান, গতকাল মিথিলা নামে একটি মে’য়ে জ্বিন বা ভূতের ভ’য়ে আ’তঙ্কিত হয়ে পরেন। যদিও হুজুর এনে তাকে তেল ও পানি পড়া দেওয়া হয়। এরপর সন্ধ্যার পর জামিলা নামে এক ছাত্রী আ’তঙ্কে চি’ৎকার দেন এবং অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় আ’তঙ্কে বাকি তিন ছাত্রীও অ’সুস্থ পড়েন।

অ’সুস্থ সহপাঠীদের স’ঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীদের দাবি, আবাসিকের ছাদের উপর রাতে হাঁটাহাঁটির শব্দ ও তাদের দুই সহপাঠীর হাতে হঠাৎ আঁচড়ের দাগ থেকেই এ আ’তঙ্কের সৃষ্টি। বি’ষয়টি গত কয়েকদিন ধরেই ছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করছিল।

শিক্ষার্থী মো. মেহেদি জানান, আ’তঙ্কে ছাত্রীদের অ’সুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে অদূরে থাকা ছাত্রাবাস থেকে তারা বেশ কয়েকজন সহপাঠী এগিয়ে আসেন। পরে কর্তৃপক্ষকে বি’ষয়টি জানানো হলে তারা ঘ’টনাস্থলে এলেও বি’ষয়টি গো’পন রাখতে বলেছিল। আমরাই তাদের হাসপাতালে আনি। তবে কলেজ থেকে তখন কেউ আমাদের স’ঙ্গে কেউ আসেননি। আর যে স্যার এখানে এসেছেন তিনি ঘ’টনাস্থলে যাননি।

হাসপাতালে উপস্থিত কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর জালিস মাহামুদ বলেন, কোনো কারণে শিক্ষার্থীরা আ’তঙ্কিত হয়ে অ’সুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা যা বলছে তেমন কোনো বি’ষয় নেই। তাদের সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এদিকে এ বি’ষয়ে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা কোনো বক্তব্য দিতে চাননি।

এ ব্যাপারে জমজম নার্সিংয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুন্সি এনাম জানান, আবাসিক ছাত্রীদের ভীতি দূর করতে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ছাত্রীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হুজুর এনে মিলাদ-দোয়ারও আয়োজন করা হয়। এরপরও তাদের ভ’য় কাটেনি।

ঘ’টনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম জানান, কেন এমন ঘ’টনা ঘটলো তা ত’দন্ত চলছে। এদিকে এই ঘ’টনার ৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫ জন হোস্টেল ছেড়ে বাড়ি চলে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *