Friday , August 12 2022

দ্রুত কোটিপতি চান ? তাহলে করুন এই বিশেষ গাছটির চাষ

ভারতবর্ষে প্রায় কোটি কোটি মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে যুক্ত। কৃষিকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ হয় বহু মানুষের। চাষ হয় বিভিন্ন সবজি, ফুল, ফল, মাছ প্রভৃতি। কিন্তু এমন একটি গাছ আছে যা চাষ করলে দ্রুত কোটিপতি হওয়া যায়। কম বেশি সবাই এই গাছটির সাথে পরিচিত। গাছটি হলো চন্দন গাছ।

• চন্দন কাঠের ব্যবহার

✓প্রসাধনী সামগ্রী থেকে শুরু করে ঠাকুর ঘর পর্যন্ত এক টুকরো চন্দনের গুরুত্ব কম নয়। বাজারে বিশেষ করে দশকর্মার দোকানে চন্দন অতি সহজলভ্য। কিন্তু সমস্যা হল আসল গুণমানের চন্দন পাওয়া খুব দুষ্কর।

✓শ্বেত ও রক্ত চন্দন দুটোই ব্যবহার করা হয় প্রসাধনী ও ঔষধ শিল্পে। তেল , সাবান , পাউডার, ক্রিম, আতর, দাঁত মাজার পেস্ট সর্বত্রই চন্দনের রমরমা। এমনকি বাজারে চন্দন সুগন্ধির আলাদা কেমিক্যাল পাওয়া যায়।

এই গাছটি ঠিকঠাকমতো একবার চাষ করতে পারলে দশ থেকে পনেরো বছরের জন্য একেবারে নিশ্চিত হতে পারবেন।

•কীভাবে চিনবেন আসল চন্দন কাঠ ?

✓বাজারে চন্দন কাঠ সহজলভ্য হলেও তার মধ্যে বেশির ভাগটাই থাকে নকল কাঠ। নকল কাঠগুলির উপর সুগন্ধের একটি প্রলেপ দেওয়া থাকে। বিশেষ করে এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় পেয়ারা গাছের কাঠ। ছুরি বা ব্লেড দিয়ে কাঠের গায়ে একটু আচর কাটলেই বুঝতে পারবেন আসল নকলের পার্থক্য।

✓সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো ,আসল চন্দন কাঠ হাতে নিলে শুধু আপনি নয় আপনার চারিপাশে পরিবেশক সুগন্ধে সুরভিত হয়ে উঠবে। এই কাঠ সাধারণত ভারী এবং হালকা খসখসে হয়।

• কীভাবে চাষ করবেন এই গাছ ?

✓চন্দন গাছের চারা রোপণ থেকে শুরু করে বিক্রি হওয়ার উপযুক্ত পর্যন্ত সময় লাগে ১২বছর। কারণ ছোট চন্দন গাছের তেমনভাবে কোন সুগন্ধ থাকে না। একটি ১২বছর বয়সের চন্দন গাছ থেকে কাঠ পাওয়া যায় প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি কেজি পর্যন্ত।

✓চন্দন গাছের পাশাপাশি আপনাকে চাষ করতে হবে হোস্ট গাছের। বিশেষভাবে এটি চাষ করতে হবে, কারণ হোস্ট গাছটি নষ্ট হয়ে গেলে চন্দন গাছটিও নষ্ট হয়ে যায়।

✓ মাত্র কয়েকটি চারা কিনলে প্রচুর খরচ পড়ে তাই গাছ কেনার সময় অনেকগুলি চারা একসাথে কেনার চেষ্টা করবেন। তাহলে মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে গাছের চারা পেয়ে যাবেন।

✓হোস্ট গাছের ক্ষেত্রে চিরকালীন যে কোন গাছকেই নির্বাচন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে হোস্ট গাছ এবং চন্দন গাছের মধ্যে দূরত্ব হবে দেড় থেকে দুই মিটার পর্যন্ত। বৃদ্ধি পাওয়ার পর প্রয়োজনমতো দুটো গাছকেই ছেঁটে দিতে হবে।

✓গাছ বসাতে হবে মাঝারি বৃষ্টিপাত যুক্ত রৌদ্র অঞ্চলে, যেখানে ভালো জল নিকাশীর ব্যবস্থা থাকবে। বেলে মাটি বা লাল কাদামাটিতেও চন্দন গাছ হয়।

Check Also

ছোট্ট ছোট্ট পায়ে দুর্দান্ত ভঙ্গিতে রাস্তার মাঝে নেচে সবাইকে চমকে দিল খুদে কন্যা, তুমুল ভাইরাল ভিডিও !

ছোট থেকেই নাচ-গান অনেকেই শিখে থাকে। সাধারণত বাচ্চারা বুঝতে পারে না ঠিক কি ভালোলাগে তাদের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.