Sunday , September 19 2021

আপনার স্ত্রীকে বেশি ঘুমাতে দিন, তাতে আপনারই মঙ্গল!

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে রান্না ঘরে ঢুকে পড়েন আপনার স্ত্রী! বেড টি নিয়ে হাজির হন! ভালবাসা থাকলে ব্যাপারটা উল্টে দিন। সমীক্ষা বলছে, আপনার চেয়ে তার ঘুম বেশি দরকার। খবর এইবেলার। ধরা যাক, রাতে এক সঙ্গে শুতে গিয়েছেন এবং ঘুমিয়েছেন। এবার আপনি যদি সকাল ৮টায় ঘুম থেকে ওঠেন, তবে আপনার স্ত্রীর ওঠা উচিত ৮টা বেজে ২০ মিনিটে।

এমনটাই বলছে বিজ্ঞান। বলছে, পুরুষের তুলনায় মহিলাদের ২০ মিনিট বেশি ঘুম দরকার। আর এটা বেশি করে দরকার মধ্যবয়স্ক মহিলাদের ক্ষেত্রে। ব্রিটেনের লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমনই মত প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে এই বেশি ঘুম প্রয়োজনের কারণটা মেয়েদের না জানাই ভাল। গবেষণা বলছে, মেয়েদের মস্তিষ্ক বেশি জটিল, তাই ঘুমও দরকার বেশি। তা ছাড়া মেয়েদের মাথা সারাদিন বেশি খাটে। অন্তত পুরুষদের থেকে বেশি। আবার, অফিসের থেকে বাড়িতে থাকা মেয়েদের মাথা নাকি বেশি খাটে।

গবেষকদের বক্তব্য, ঘুম মস্তিষ্ককে পুনরুজ্জীবিত করে। ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় আর সেটাই খুব প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। দিনের বেলা মস্তিষ্ক যত বেশি কাজ করবে, রাতে ঘুম তত বেশি প্রয়োজন। মেয়েরা একই সঙ্গে অনেক কাজ করেন, অনেক রকম চিন্তা করেন, অনেক বিষয়ে মাথা ঘামান এবং খাটান। আর সেই জন্যই বেশি ঘুম দরকার।

অন্তত ২০ মিনিট বেশি। গবেষকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ঘুমোতে পারলে মাথা খাটানো এবং ঘামানো আরও ভালভাবে করা যায়। তাই ঠিকঠাক ঘুমনো গিন্নিরা আরও মাথা খাটাতে পারেন। সেটা অন্যের অসুবিধা হলেও তাদের সক্ষমতা বাড়েই।

এই গরমে সুস্থ থাকার ৯ উপায়, জেনে রাখুন সবাই

প্রচণ্ড গরমে প্রাণ যেন ওষ্ঠাগত। সূর্যমামা সেই সাতসকালে উঠে বাসে থাকে। তারপর বেলা যত বাড়ে তার চোখরাঙানি যেন ততই বাড়তে থাকে। আর তাতেই ঘেমেনেয়ে আমার অবস্থা করুণ হয়ে যায়।

শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে গেলে তখন তা আমাদের ক্লান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাতে করে সহজেই হানা দিতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। তাই গরমেও ধরে রাখুন সতেজভাব। জেনে নিন এই প্রচণ্ড গরমেও সুস্থ থাকার ৯টি সহজ উপায়-

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তেজ সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই চেষ্টা করুন এই সময়টায় না বেরোতে। সবসময় এটা সম্ভব হবে না। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন। খুব তেলমশলা যুক্ত খাবার খাবেন না। এমন খাবার খান যা সহজে হজম হবে। প্রচুর পানি খান। জলীয় খাবার বা রসালো ফল খেতে পারেন। গরমে রোজ খাবারের পাতে রাখুন তেলমশলা ছাড়া হালকা খাবার। টক দই খেতে পারেন। তবে রাস্তাঘাটে একেবারেই ফ্রুটজুস খাবেন না। কারণ এইসব ফ্রুটজুস থেকে পেটে নানারকম ইনফেকশন হতে পারে। ডাইরিয়া কিংবা জন্ডিস হওয়ার ভয়ও থাকে।

গরমকালে গায়ে কোনোরকম তেল মাখবেন না। এতে অ্যালার্জি, র‍্যাশ কিংবা ঘামাচির পরিমাণ বাড়তে পারে। সিন্থেটিক পোশাক পরবেন না। যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। নরম সুতির পোশাকই গরমের জন্য আদর্শ। খুব গাঢ় রংয়ের বদলে একটু হাল্কা রংয়ের পোশাক পরলে অনেকসময় গরমে তা আরামদায়ক হয়। গরম লাগছে বলে অনেকক্ষণ সময় টানা এসিতে না থাকাই ভালো। কারণ এসির ঠান্ডা হওয়া আপনার চুল এবং ত্বককে মারাত্মক ভাবে রুক্ষ করে দেয়।

রাস্তায় বেরোলে সবসময় সঙ্গে রাখুন সানগ্লাস, ছাতা, স্কার্ফ কিংবা টুপি। আর অবশ্যই ব্যাগে রাখুন পানির বোতল। রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে পানি না খাওয়াই ভালো। রোদের তেজ এড়াতে সুতির স্কার্ফে মুখ বা শরীরের অন্যান্য অংশ ঢেকে রাখাই ভালো। বাইরে থেকে ঘেমেনেয়ে এলে যত দ্রুত সম্ভব গোসল করে ফেলুন। নইলে শরীরে জমাট বাঁধা ঘামের থেকে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। তাছাড়া ঘাম বসে গেলে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

বাইরের গরম থেকে এসে সঙ্গেসঙ্গে ঠান্ডা কিছু খাবেন না। আগে শরীরকে ঠান্ডা হতে দিন। নরমাল টেম্পারেচারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিন। তারপর ঠান্ডা পানি বা এ জাতীয় জিনিস খেতে পারেন।রোদের তাপে শরীর ট্যান পড়ে যাওয়া গরমকালের একটা বড় সমস্যা। তাই বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে বেরোবেন। মুখ কিংবা শরীরের বাকি অংশের ট্যান তুলতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানানো ফেস প্যাক। মুলতানি মাটি, গোলাপ জল, শশার রস, টমেটোর রস ট্যান তুলতে খুবই সাহায্য করে।

Check Also

আপনি কি সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নামা করেন? জেনেনিন এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো না খারাপ

প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু যারা হাঁটতে চান ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *