Sunday , September 19 2021

গল্পটা পড়ুন সত্যি কাহিনি, কলেজের মেয়েদের ফাদে ফেলে দেহ ব্যবসা

গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে রুপালি,বয়স ১৬।দেখতে অনেক সুন্দর,,অনেক লম্ব। এস এস সি পাস করে। ২০১৪সালে, শহরে আসে পড়াতে, একটি সরকারি কলেজে ভর্তি হয়। সে কলেজের থাকার জন্য একটা সিট পায়।অনেক কস্টে দিন কাটতে থাকে রুপালির।এক সময় অনেকের সাথে পরিচয় হয় রুপালির।অনেক বন্ধুও হয়। এক দিন রুপালির সাথে একটা আন্টির পরিচয় হয়।আন্টি রুপালি কে বলে কলেজের পাসে একটা বাড়িতে থাকে।তাও এক।রুপালি জিজ্ঞেস করল ওনার ছেলে মেয়ে আছে কি না।

আন্টি বলে ওনার জামাই ১০ বছর আগে মারা গেছে।একটা মেয়ে ছিল তাও ৭ বছর আগে বিয়ে দিয়ে দিছে।এখন একা থাকেন।এই কথা শুনে রুপালির মায়া হল আন্টির প্রতি।এভাবে কিছু দিন যাবার পর আন্টির সাথে রুপালির ভাল সম্পক হয়ে যায়।সে সোবাদে রুপালি একদিন আন্টির বাসায় যায়,ওখানে ৩ দিন থাকে রুপালি।অনেক আদরে নিজের মেয়ে মত করে রাকল।তিন দিন পর আবার রুপালি হোস্টেলে চলে আসে।

এক দিন রুপালির কলেজের রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কিছু টাকার প্রযোন হয়।তাই গ্রামে বাবাকে কল করে বলে দুই হাজার টাকা লাগবে।রুপালির বাবা রুপালি কে বলে টাকা পাঠাছে,এই বলে কল রেখে দিল।

কয়েদিন যাবার পর রুপালি বুঝতে পারল তার বাবা টাকা পাঠাতে দেরি হতে পারে।রুপালির ঢাকায় তেমন আপন কেও নেই।তাই রুপালি কিছু টাকা ওই আন্টর কাছে দার ছায়ল।আন্টি রুপালিকে বলে ওনার কাছে এখন টাকা নেই।তবে একটা উপায় আছে,উপায়টা কি রুপালি জানতে ছাইল। আন্টি বলে একটা লোক টাকা দিবে কিন্ত ওনার সাতে রাতে শারিরিক সম্পক করতে হবে।এটা শুনে রুপালি সাথে সাথে না করেদে।

এবাবে আরো কয়েক দিন গেল,বাড়ি থেকে টাকা এল না।চিন্তাই পড়ে গেল রুপালি। হঠাত রুপালিকে আন্টি কল করে।রুপালি কে বুঝাল,কেন তুমার পরিবারকে টাকার জন্য চাপ দিছ,তুমি আমার কথায় রাজি হয়ে যাও আমার সাথে থাকবা।ভাল জামা কাপড় পরতে পারবা।রুপালি আর কোন পথ না দেখে,ওনার কথায় রাজি হয়ে যায়।আন্টি রুপালিকে বাসয় আসতে বলে।রুপালি বিকালে আন্টির বাসায় যায়।

আন্টি রুপালিকে নিয়ে শপিং এ যায়। রুপালিকে প্রথমে এক জোড়া ফালাট জুতা কিনে দে তার পর ৪ টা ইস্কিন প্যান্ট কিনে দে,যে গুলা সহজে খোলা যায়, ৪ টা সেলোয়ার কিনে দে, যে গুলা পিছনে কোমর পযন্ত ছেন দেওয়া,যা সহজে কোলা যাই।রুপালি কিছু না বলে ছেয়ে ছেয়ে দেকছে এর পর আন্টি প্যান্টি নে তাও ৪ টা ব্রারা নেন ৪ টা,যে গুলার সাইজ ৩৬, ৩৬ সাইজের ব্রারা দেকে আন্টিকে জিগেস করল এত বড় ব্রারা কার জন্য আন্টি বলে তোমার জন্য।

রুপালি বলে আমার ব্রারা তো ৩২ আন্টি একটু মুসখি হেসে বলে এখন থেকে তোমার সব কিছু বড় বড় হবে এর পর আন্টি,নিল পকিশ নিল।টিপ নিল,বডি লোশন নিল,লাল লিবেস্টক নিল,২ টা লেজার আর একটা ভিট ক্রিম, ২ টা মূখের ক্রিম নিল। আন্টি রুপালির জন্য ১৫ হাজার টাকার বাজার করে,,,বাজার শেষে তারা রেস্টুরেন্টে বসে নাস্তা করে সন্ধা ৭ টাই বাসায় ফিরে ওরা এর পরা রুপালিকে নিয়ে আন্টি ওয়াশ রুমে নিয়ে গিয়ে, কাপড় ছোপাড় খুলে, রুপালির হাত-পায়ে যা লোম ছিল সব পরিস্কার করে ফেলতে বলে রুপালি আন্টির কথা মত সব লোম পরিস্কার করে এবং গোসল করে রুমে আসে আন্টিও রুমে ডোকে,রুপালির গা থেকে গামছাটা খোলে নে এর পর রুপালির সারা শরিলে বডি ক্রিম মেখে দে,রুপালির পায়ে নিল পকিশ দে,পায়েল পরে আন্টি রুপালিকে জামা পরিয়েদে রুপালির কপালে টপ পরিয়ে দে। আন্টি রুপালিকে সাজিয়ে ফেলল।

রুপালি অনেকটা অসাহায় আজ। রাত ১০ টাই রুপালিকে খেতে নিয়ে গেল। রুপালি ভয়ে খেতে পারছেনা তাও খেল একটু খাওয়া শেষে রুপালিকে রুমে নিয়ে যায় এবং আন্টি কাকে কল করে আসতে বলে রাত ১২ টায় একটা কালো লোক আসল রুপালি দেখল লোকটা আন্টিকে টাকা দিছে।এর পর lলোকটাকে রুপালির রুমে ডোকিয়ে দিল। বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে দিল আন্টি।

রুপালি দেখতে পেল ৫৫ বছরের একটা কালো লোক, রুপালি বয়ে ছুপ হয়ে রহিল লোকটা রুপালির পাশে বসলএবং রুপালির জামা খুলল।সরা রাত রুপালির সাথে লোকটা সেক্স করে। সকালে ঘুম থেকে ওঠে প্রথমে গোসল করে এর পর কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হয়,এক সময় আন্টি নাস্তা করার জন্য ডাকে।আন্টি বলল আজ কলেজে না গেলে হয় না? রুপালি বলে আজ কলেজের রেজেষ্টোনের শেষ দিন। আন্টি বলল ও আচ্চাতার পর আন্টি অকে দুই হাজার টাকা দিল। কালকের লোকটা তিন হাজার টাজা দিছিল।তা থেকে আমি এক হাজার রেকে দিছি কমিশন হিসাবে রুপালি কিছু না বলে কলেজে চলে গেল। এবং কলেজে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলে।

এর পর রুপালি আন্টির বাসায় না গিয়ে কলেজ হোস্টেলের থেকে যায় এক দিন পর আন্টি কল দিল রুপালিকে রুপালি আন্টিকে বলে এই কাজ আর করবে না আন্টি বলে না করলে শপিংয়ের টাকা ফেরত দিতে, আও বলে কাল রাতে ভিডিও টা কলেজের সবাইকে দেকাবে রুপালি ভয় পেয়ে যায় আবার আন্টির কথা মত,ওনার বাসায় ফিরে যায়। তার পর রুপালি জিম্মি হয়ে যায় আন্টির কাছে। এর পর আন্টি প্রতি রাতে রুপালির ঘরে খদ্দের ডোকায়।এই ভাবে প্রতি দিন খদ্দের সাথে থাকতে থাকতে অবস্ত হয়ে যায় রুপালির। খদ্দের যে টাকাদে তা তিন ভাগ করে,এক ভাগ আন্টি কমিশন হিসাবে রাখে বাকি দুই ভাগ রুপালিকেদে।

আন্টি অনেক টাকা কামায় করে।রুপালি অনেক টাকার মালিক এখন রুপালি গ্রামের বাড়ীতে টাকা পাঠায় এত টাকা কোথা তেকে।রুপালি বলে টিউশানি করে। এবাবে কাটতে থাকে দিন দিন গড়িয়ে বছর গড়িয়ে গেল তিন বছর হয়ে চলল এক কাজে এই তিন বছরে ৮০০ লোকের সাথে রাত কাটায় রুপালি। রুপালি ভাল ব্যেশা পরিনত হল। এই কাজ রুপালির ভাল লাগেনা এখন কি করবে। এই কাজ ছেড়ে দিবে নাকি এই জীবন নিয়ে থাকবে ?

Check Also

মাত্র দু মিনিট সময় লা’গবে গল্পটি পড়তে, মিস করলে জীবনের অনেক কিছু অ’জা’না থাকবে

মাত্র দু মিনিট সময় লাগবে- সাইকোলজির টিচার ক্লা’সে ঢু’কেই বললেন :- আজ পড়াবো না। সবাই ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *