Wednesday , July 6 2022

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা সঠিকভাবে পালন করলে বহু ফল পাওয়া যায় মানব জীবনে

মানুষের মনের ভয় রাখার কোনো জায়গা নেই , মানুষের সবকিছু রাখার জায়গা যেমন রয়েছে। ভয় কোথায় রাখবে সেটাও কিন্তু মানুষ আজও খুঁজে পায়নি। ভয় ভীতির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ঈশ্বরের প্রতি অনুভূতি ও ভক্তর নিষ্ঠাবান শক্তি পাঠ। মানুষের আত্মার একটি দুর্বলতা শক্তি সর্বদাই কাজ করে,সেই আত্মাকে জাগ্রত করতে গেলে মন্ত্র তন্ত্র ও শক্তিকে আরধনা করতে হয়। তখন সে নিষ্ঠাবান শক্তিশালী সাধক হিসেবে ঘোষিত হয়। মানুষের সাধনার মধ্যে সিদ্ধ করতে পারে, এ পৃথিবীতে যখন জীব এসেছে তখন তিনি খালি হাতে এসেছি, আর যখন তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবে তখন সে খালি হাতেই যাবে ।

এটা প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী হয়ে আসছে। স্রষ্টার সৃষ্টি কে আমরা কোনোভাবেই অস্কার করতে পারিনা।সংসার জীবনে সময় সম্পত্তি আসয় বিষয় সবকিছুই যেন একটা পরিপূর্ণ ও নিজে যেন অট্টালিকার পাড়ে বসে থাকি তেমনই আশা মানবহৃদয় জেগে ওঠে।এই সম্পত্তি পাওয়ার আশায় মানুষ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রূপে দেবী কোজাগরী লক্ষ্মী কে জাগ্রত করেছে,কেউ মন্ত্র পাঠ করে, কেউ নিজের আচার-অনুষ্ঠান, কেউ বা আত্মার বিশ্বাসের একটি রূপ পূজিত করে। ধনসম্পত্তি বৃদ্ধির লোভে, রাতে মানুষ লক্ষ্মী দেবীর সৃষ্টির বিভিন্ন রূপে রূপান্তরিত করেছে।এক একটা দিন এক একটা রীতি-রেওয়াজ লক্ষ্মী দেবীকে নিয়ে প্রচলিত আছে, বাঙ্গালীদের জন্য একটা খুব অবাঙালিদের জন্য আর একরকম ।

সব যেন বাংলা-বিহার-উরিষ্যা ভারত বর্ষ তথা বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্যান্য স্থানে লক্ষ্মী দেবীর চিরাচরিত রীতি আজও প্রচলিত। তবে সর্বদাই আমি একটু গবেষণামূলক চরিত্র ভালোবাসি ,সবকিছু খতিয়ে দেখার অভ্যাস আমার সর্বদাই আছে।তাই কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার ইতিহাস ও তার গবেষণামূলক চরিত্র, আজ আমি বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে পড়ে নিজে যতটুকু উপলব্ধি করতে পেরেছে। সেটুকু আপনাদের সম্মুখে আমার কলমে পরিবেশন করছি।দেবী লক্ষ্মী হলেন সৌভাগ্য এবং শান্তির প্রতীক।তিনি হলেন ধনসম্পত্তি ও সমৃদ্ধির দেবী এবং হিন্দু সংস্কৃতিতে তিনি ব্যাপকভাবে পূজিতা।ভারতবর্ষে অসংখ্য লক্ষ্মী দেবীর মন্দির রয়েছে।তাঁর সৌন্দর্য অতুলনীয়।

দেবী লক্ষ্মী তাঁর ভক্তদের কেবলমাত্র ধন সম্পত্তি দিয়েই আশীর্বাদ করেন না তাদের আধ্যাত্মিকতাকে বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করেন।হিন্দুধর্মের মধ্যে একটা মেয়েকে ঘরের ‘লক্ষ্মী’ রূপেই দেখা হয়ে থাকে।এবং অনেক পিতা-মাতাই পছন্দ করেন তাদের কন্যার নামটি দেবী লক্ষ্মীর নামানুসারে রাখতে, সুতরাং,সেই কারণেই আমরা এখানে তুলে ধরেছি দেবী লক্ষ্মীর নামের কিছু তালিকা আপনার ছোট্ট সোনামণিটির জন্য।সেই তালিকা এই লেখার মধ্যে চেষ্টা করবো বলার যতটা সম্ভব।আজ আমরা লক্ষ্মী কে নিয়ে বিশ্বের ইতিহাসে অনেক রীতি-রেওয়াজ প্রচলিত আছে। তবে বাংলা সংস্কৃতি বাঙ্গালীদের জন্য ভারতবর্ষের সংস্কৃতি ইতিহাস সেটি অনেকেরই জানা।

প্রতি বছরে আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো পালিত হয়। বলা হয় এই পুজো করলে তার ঘরে রাজলক্ষ্মী,ভাগ্য লক্ষ্মী, কুল লক্ষ্মী ও যশ লক্ষ্মী অচলা থাকেন। তার কোনো কিছুরই অভাব থাকে না। জেনে নেওয়া যাক এই ব্রতের পেছনে প্রচলিত কাহিনী। অন্যদিকে জনবিশ্বাস অনুযায়ী এটা মানা হয় যে,দেবী লক্ষ্মীর নামানুসারে আপনার কন্যার নামকরণ করলে তা সংসারে সমৃদ্ধি এবং খুশির জোয়ার বয়ে আনে।এই নাম-গুলির রাজকীয়তা তাদের স্পর্শ করে যা কোন ফ্যাশনের থেকে কোনও অংশে কম নয়।দেবী লক্ষ্মীর নামের এই বিস্তৃত তালিকা থেকে আপনার পছন্দের নামটি নির্বাচন করুন নবজাতিকার জন্য এবং তাদের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে সাহায্য করুন।

Check Also

জন্মাষ্টমীর দিন এই জিনিসটি অবশ্যই বাড়িতে রাখুন, সুখ ও সম্পদে ভরে উঠবে সংসার

জন্মাষ্টমীর দিন ছাড়া ভারতবর্ষজুড়ে ছোট্ট গোপালের আরাধনা করা হয়। কেউবা পুত্ররূপে আবার কেউবা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.