Friday , September 17 2021

৮ টি রো’গের ও’ষুধ একমাত্র খেজুর!

আনেকেই বি’শ্বাস করেন মিষ্টি খাবার মানেই তা শরী’রের জন্য ভালো নয়। এই ধর’ণা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ খেজুর একটা মিষ্টি ফল, তবু এর মধ্য কোনও ক্ষ’তিকর উপাদান নেই। বরং এটি খেজুরের মধ্য বিপুল পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ক্য়ালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকার কারণেএই ফলটি খাওয়া খুব জ’রুরি।

যারা নিজের ওজন কমাতে ইচ্ছুক তাদের জন্যও এই ফলটি খাওয়া জ’রুরি। কারণ খেজুর ওজন ক’মাতে দারুন কাজে আসে। খেজুরের আরো কিছু গুনাগুন আমরা জানি

১. শরীর গরম রাখে:

খেজুরে বিপুল পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্য়ালসিয়াম, ভিটামিন এবং ম্য়াগেনশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীর গরম রাখতে খুব সাহায্য় করে। সেই কারণেই তো শীতকালে এই ফলটি খাওয়ার পরা’মর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎ’সকেরা।

২. ঠান্ডা কমায় :

ঠান্ডায় খুব হাঁচি-কাশি হচ্ছে। চিন্তা নেই। এখনই ২-৩ টে খেজুর, কিছুটা মরিচ আর ১-২ টো এলাচ নিয়ে গরম জলে ফেল সেদ্ধ করে নিন। দাঁড়ান দাঁড়ান, এখনই খাবেন না। শুতে যাওয়ার আগে ওই জল খেয়ে নিন। দেখবেন ঠান্ডা কেমন দূ’রে পালাচ্ছে।

৩. অ্যাজমা সারায়:

শীতে যে যে রোগ খুব মাথাচারা দিয়ে ওঠে তার মধ্য়ে অন্য়তম হল হাঁপানি বা অ্যাস্থেমা। প্রতিদিন সকালে আর বিকালে নিয়ন করে ১-২ টো খেজুর খান। দেখবেন শীতকালে আর হাঁপানি হচ্ছে না আপনার।

৪. শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে:

খেজুরে যেহেতু অনেক পরিমাণে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তাই এই ফলটি খেলে নিমেষ শরীরের শ’ক্তি বেড়ে যায়।

৫. কো’ষ্ঠকা’ঠিন্য সারায়:

কেয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কো’ষ্ঠকা’ঠিন্যর সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করেছে। আসলে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কো’ষ্ঠকা’ঠিন্য সা’রাতে দারুন কাজে আসে।

৬. হার্টের জন্য ভালো:

ফাইবার হার্টকে ভালো রাখে। আর একথা তো সকলেরই জানা যে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই এই ফলটি খেলে হা’র্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়’ন্ত্রণে থাকে। ফেল কমে হার্ট অ্যা’টাকের আ’শ’ঙ্কা।

৭. আর্থা’রাইটিস ক’মায়:

শীতে যারা আর্থ্রারাইটিসের সম’স্য়ায় খুব ভো’গেন তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে আর্থ্রারাইটিসের ব্য়’থা কমাতে এটা দারুন কাজে দেয়।

৮. উচ্চ র’ক্তচা’প কমাতে সাহায্য করে:

ম্য়াগনেশিয়াম আর পটাশিয়াম উচ্চ র’ক্তচা’প কমাতে সাহায্য় করে। আর এই দুটি খনিজ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে থাকায় এই ফলটি খেলে র’ক্তচা’প একেবারে নিয়’ন্ত্রণে থাকে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপের সম’স্য়া আছে, তারা প্রতিদিন ৫-৬টা খজুর খেতে ভু’লবেন না যেন!

Check Also

পু’রুষত্ব ন’ষ্ট হতে পারে ৮টি অ’ভ্যাসে, ২ নাম্বারটা খাবেন না

সুস্থ থাকার জন্য চাই স্বা’স্থ্যকর জীবনপ’দ্ধতি। লি’’ঙ্গ সুস্থ রাখতেও তাই ত্যাগ করতে হবে বদভ্যাস। সঠিক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *