Friday , August 12 2022

আর নেই চাকরির চিন্তা! এখনই শুরু করুন কালো গমের চাষ, লাভ হবে লক্ষ লক্ষ টাকা

নিশ্চিন্তে এবং সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে প্রত্যেকেই চান। আর সেজন্য যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হল ভালো অঙ্কের রোজগার। এমতাবস্থায়, অনেকেই এখন গতানুগতিক ভাবে চাকরির পথে না হেঁটে নতুন কিছু করার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছেন। এদিকে, বর্তমান যুগে পাল্টাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। তার সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে খাদ্যাভ্যাসও। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এখন বেছে নিচ্ছেন পুষ্টিকর খাদ্যদ্রব্যকে। এমতাবস্থায়, এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আপনি খুব সহজেই কালো গমের (Black Wheat) চাষ শুরু করতে পারেন।

এমনকি, এই চাষের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আয় করতে পারবেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সর্বোপরি, দিন দিন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এই গমের চাহিদা। যার ফলে, নিশ্চিন্তে আপনি এই চাষ শুরু করতে পারেন। পাশাপাশি, আপনাদের সুবিধার্থে বর্তমান প্রতিবেদনে এই চাষ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে উপস্থাপিত করা হল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাজারে কালো গমের চাহিদা অত্যন্ত বেশি থাকায় এটির দামও সাধারণ গমের তুলনায় অনেকটাই বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাধারণ গমের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি দামে বিক্রি করা হয় এই গম। শুধু তাই নয়, যেখানে সাধারণ গমের দাম প্রতি কুইন্টালে মাত্র ২,০০০ টাকা সেখানে কালো গম প্রতি কুইন্টালে নিশ্চিন্তে সাত থেকে আট হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই, এই চাষের মাধ্যমে বিরাট লাভ পাবেন কৃষকেরা।

কালো গম চাষের ক্ষেত্রে সঠিক সময়:
মনে রাখতে হবে যে, এই গম চাষের ক্ষেত্রে আর্দ্রতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমতাবস্থায়, নভেম্বর মাসটি এই গমের রোপনের জন্য সঠিক সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এদিকে, নভেম্বরের পর আবার এর রোপন করলে ফলন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

এই গম অত্যন্ত উপকারী:
মূলত, এই গম অত্যন্ত পুষ্টিকর। আর এই পুষ্টিগুণের জন্যই কালো গমের বিপুল চাহিদা পরিলক্ষিত হয়। এই গমে আয়রনের পরিমান অত্যন্ত বেশি থাকে। এছাড়াও, এই গম রক্তচাপ, ক্যানসার, স্থূলতা এবং সুগার রোগীদের জন্য দারুণভাবে উপকারী। পাশাপাশি, নিয়মিত এই গম খেলে রক্তাল্পতা দূর হয় এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়।

সাধারণ গমের তুলনায় পার্থক্য কোথায়:
এই গম “কালো” হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হল এটিতে অ্যান্থোসায়ানিন পিগমেন্ট বেশি থাকে। যা একটি রঞ্জক পদার্থের মত কাজ করে। এদিকে, সাদা গমে এর পরিমান থাকে মাত্র ৫ থেকে ১৫ পিপিএম। তবে, কালো গমে এর পরিমান হয় ৪০ থেকে ১৪০ পিপিএম। এছাড়াও, কালো গমে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অ্যানথ্রোসায়ানিন পাওয়া যায়। যা বিভিন্ন মারণ রোগের নিরাময়ে কাজে লাগে।

এই চাষের ক্ষেত্রে লাভের পরিমাণ:
প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ গমের চেয়ে কালো গমের ফলন বেশি হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ১ বিঘা জমিতে কালো গম ১,০০০ থেকে ১,২০০ কেজি পর্যন্ত উৎপাদিত হতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাত্র ২ লক্ষ টাকা দিয়ে এই চাষ কিংবা ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। পাশাপাশি, বাজারে এক কুইন্টাল গমের দাম ৮,০০০ টাকা হলে নিশ্চিন্তে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খুব সহজেই আয় করা সম্ভব।

Check Also

ছোট্ট ছোট্ট পায়ে দুর্দান্ত ভঙ্গিতে রাস্তার মাঝে নেচে সবাইকে চমকে দিল খুদে কন্যা, তুমুল ভাইরাল ভিডিও !

ছোট থেকেই নাচ-গান অনেকেই শিখে থাকে। সাধারণত বাচ্চারা বুঝতে পারে না ঠিক কি ভালোলাগে তাদের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.