Thursday , February 9 2023

অতি সহজ নিয়মে পালন করুন বিশ্বকর্মা পুজো ! সুফল পাবেন হাতেনাতে

ভগবান বিশ্বকর্মাকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য বিশারদ। তাঁর বানানো শিল্প কাজের নমুনা দিতে বসলে সে তালিকার কোন শেষ হবে না। তাঁরই হাতের নিখুঁত দক্ষতায় নাকি গড়ে উঠেছিল স্বর্গলোক। এমনকি হস্তিনাপুর থেকে শুরু করে ইন্দ্রপ্রস্থ, লঙ্কার প্রাসাদ, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, অলকাপুরী সবকিছুই ভগবান বিশ্বকর্মার হাতে নির্মিত। তাই প্রতিবছর ভাদ্র মাসের সংক্রান্তিতে প্রযুক্তিবিদ্যার দেবতা বিশ্বকর্মাকে আরাধনা করা হয়। এমনকি ছোট্ট শিল্পক্ষেত্র গুলিতেও দেবতার আরাধনা বাদ পড়ে না। মৎস্যপুরাণে উল্লেখ রয়েছে প্রতিমা নির্মাণ, বাড়ি তৈরি , কূপ ও জলাশয় খনন প্রভৃতি শিল্প কার্যের উদ্ভাবক হলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। তাই কাজের জগতে সুফল পেতে ভগবান বিশ্বকর্মাকে আরাধনা করুন অতি সহজ নিয়মে।

•অন্যান্য দেবতাদের ক্ষেত্রে যেমন বিশেষ বিশেষ ফুল দিয়ে পুজো করতে হয়, ঠিক তেমনি ভগবান বিশ্বকর্মার জন্য বেছে নিন সাদা রঙের ফুল।

•বিশ্বকর্মা পুজোর দিন অবশ্যই কপালে টিকা লাগান। কথিত আছে , ভগবানের নামে কপালে টিকা লাগালে ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বেষ্টনী আরও মজবুত হয়। তাই অবশ্যই পুজোর দিন বিশ্বকর্মার মূর্তির সামনে কপালে সিঁদুরের টিকা লাগান।

•পূজার্চনার সামগ্রীতে অবশ্যই রাখুন দীপ, ধুপ, জল এবং পৈতে।

•বিশেষ করে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বাড়িতে থাকা যেকোনো গৃহস্থলীর যন্ত্রপাতি বা শিল্প কার্যের ব্যবহৃত সরঞ্জাম কাউকে দেবেন না।

•যারা সরাসরি কলকারখানা বা শিল্পকর্মের সাথে যুক্ত তারা অবশ্যই পুজোর আগের দিন সমস্ত যন্ত্রপাতি ধুয়ে পরিষ্কার করে মুছে রাখুন। ভবিষ্যতেও ব্যবহার করতে সুবিধা হবে আবার শিল্পের প্রতি যত্নশীল মনোভাব প্রকাশ পাবে।

•পুজো শেষে প্রসাদ এবং তার সাথে মিষ্টান্ন সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা অত্যন্ত শুভ।

•সব থেকে বড় কথা হল ভক্তি আর নিষ্ঠা। শুদ্ধ বস্ত্রে কায়মনোবাক্যে ভগবানকে আরাধনা করলে তিনি অবশ্যই সন্তুষ্ট হবেন।

Check Also

মুসলিম মহিলার হাতে শক্তির দেবীর আরাধনা, কালীপুজো ঘিরে এগাঁয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে

এক মুসলিম মহিলার হাতে পূজিত হন মা কালী। তাঁর হাতেই এপুজোর শুরু। বছরের পর বছর ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.