Monday , September 27 2021

অগ্নিমূল্য বাজারেও ১ টাকায় সিঙ্গারা বিক্রি করছেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা !

বর্তমান যুগে প্রযুক্তিগত উন্নতি হচ্ছে নিরন্তন। ক্রমে মানুষ বিজ্ঞান এবং যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পরছে। এই প্রযুক্তিনির্ভর জগতে বিজ্ঞানের সেরা আবিষ্কার যে স্মার্টফোন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনকার দিনে স্মার্টফোনের ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যতীত জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আমাদের দৈনন্দিন কাজে স্মার্ট ফোন ব্যবহার অবিচ্ছিন্ন অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তার ওপর গত বছর করোনার সংক্রমণ এর পর থেকে মানুষ বেশি করে এই স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। আসলে এই অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াই করার অন্যতম অস্ত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। তাই সকলেই বর্তমানে গৃহবন্দী। অফিস কাছারি থেকে শুরু করে পড়াশোনা সবই চলছে স্মার্টফোনের মাধ্যমে।

এই স্মার্টফোন নির্ভর জগতে এখন জনপ্রিয়তার শিখরে গিয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট। যাদের স্মার্টফোন রয়েছে তারা সকলেই প্রায় এই সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকেন। এই সোশ্যাল মিডিয়া দুনিয়ায় বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়ে থাকে।

মাঝেমাঝেই ভাইরাল হয় কারুর নাচ গানের ভিডিও বা কিছু কিছু সময় ভাইরাল হয়ে থাকে বিভিন্ন আশ্চর্যজনক ঘটনা। এখনকার দিনের ট্রেন্ড হয়েছে যে কোন কিছু ঘটনা ঘটলেই তা আগে স্মার্টফোনের ক্যামেরায় বন্দী করে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে পোস্ট করে থাকেন। সেইসব ভিডিও যদি বাকি নেট জনতাদের আগ্রহ তৈরি করতে পারে তাহলে তারা সেই ভিডিও প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করে এবং ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

করণা পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বেড়েছে অন্যদিকে হু হু করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে। প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় খাদ্যের যোগান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারকে। সেইসাথে পেট্রোপণ্য এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় সকল জিনিসের দামই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই অগ্নিমূল্যের বাজারে নিজেদের লাভ বজায় রাখার জন্য ছোটখাটো তেলেভাজার দোকান থেকে শুরু করে মুদির দোকান সবাই তাদের জিনিসের দাম বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যাতে দেখা গিয়েছে অগ্নিমূল্যের বাজারে মাত্র ১ টাকায় চপ বিক্রি হচ্ছে। কি শুনে অবাক হলেন তো? ভাবছেন নিশ্চয়ই এটি মনগড়া কথা। কিন্তু এমনটি নয়।

নদীয়ার শান্তিপুরের পীরেরহাট এলাকায় সিঙ্গারা বিক্রি করেন সন্তোষ কুমার দাস। তিনি মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে একটি চপ বিক্রি করেন। তবে এখানেই অনেকে প্রশ্ন করেছে যে মাত্র এক টাকা নিয়ে তার কি আদেও কোনো লাভ হয়? জবাবে বিক্রেতা জানিয়েছেন, “তার যত পরিমাণ বিক্রি হয় তাতেই তার লাভ হয়ে যায়।

স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চা এবং সাধারণের জন্য তিনি এত কম মূল্যের সিংহারা এবং মিষ্টি বিক্রি করে থাকেন।” তার দোকানের কোন নাম নেই। কিন্তু এলাকাতে তার দোকানের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। পীরেরহাট এলাকায় গেলেই যে কেউ আপনাকে ১ টাকার সিঙ্গারা বিক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে পারবে।

Check Also

35 বছর আগে একসঙ্গে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই তিন বোন, এখন তারা একসঙ্গে গর্ভবতী।

মা হওয়ার অনুভূতি বিশ্বের সবথেকে সুন্দর অনুভূতি হিসেবে বিবেচিত হয়। বাচ্চাটি যখন আপনার পেটে থাকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *