কাঁচা নাকি পাকা কলা খাওয়া স্বাস্থ্যকর?

আপনি কি জানেন কলা যখন পাকতে শুরু করে, তখন তার পুষ্টি উপাদানও বদলাতে থাকে? কলায় এমন একধরনের এনজাইম থাকে যা ধীরে ধীরে শ্বেতসারকে (চিনির এক অবস্থা যা মিষ্টি নয়) ভাঙতে থাকে এবং এভাবে একপর্যায়ে চিনিতে পরিণত হয়। কলা যখন পাকে, তখন শ্বেতসার চিনিতে রূপান্তরিত হয় এবং তা হজমে সহজতর হয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কলা পাকলে তার ভিটামিন ও খনিজ উপাদান কমে যায়। এ কারণে কলা রেফ্রিজারেটরে রাখা উচিত।

এক্সপ্লোর হেলথিফুড ডট কমের তথ্যমতে, জাপানিরা দেখতে পেয়েছে, কলা পাকলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে এবং এতে এর ক্যানসারবিরোধী উপাদানও বৃদ্ধি পায়। কলা যখন ঘন সবুজ বর্ণের ও পুরোপুরি পোক্ত থাকে, তখন একধরনের উপাদান ধারণ করে যাকে বলে টিউমার নেকরোসিস। এটি এমন একধরনের উপাদান, যা অস্বাভাবিক কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

এ ছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে হলুদ খোসার ওপর কালো দাগ পড়া কলা সবুজ কলার চেয়ে আটগুণ বেশি কার্যকর।

Facebook Comments

Check Also

কোন ভিটামিনের অভাবে কী রোগ হয়?

ভিটামিন হলো খাদ্যে জরুরি কিছু ছোট জৈব অণু। ভিটামিনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। পানিতে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *